বাঁ’চি’য়ে রাখার মালিক আল্লাহ, তবে সেদিন অসু’স্থ ফখরুলে….see more

বাঁচিয়ে রাখার মালিক আল্লাহ, তবে সেদিন অসুস্থ ফখরুলকে নিয়ে উদ্বেগে ছিলেন নেতাকর্মীরা
‘বাঁচিয়ে রাখার মালিক আল্লাহ’—জীবন-মৃত্যু নিয়ে এমন বিশ্বাসের কথাই বারবার উঠে আসে কঠিন সময়ে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ঘিরে এমনই এক উদ্বেগের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল ২০২৫ সালের ১৯ আগস্ট রাতে।

থাইল্যান্ডে চোখের ফলোআপ চিকিৎসা শেষে সেদিন সন্ধ্যায় ঢাকায় ফেরেন মির্জা ফখরুল। এরপর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠক শেষ হওয়ার পর বাসায় ফিরে রাতের দিকে অসুস্থ বোধ করেন তিনি। পরে দ্রুত তাকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়।

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন তখন জানিয়েছিলেন, চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে ফখরুলের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল। তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দলের নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া চাওয়া হয়।

খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে উদ্বেগ দেখা দেয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও হাসপাতালে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধি দলও হাসপাতালে গিয়ে তার চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ নেয় এবং সুস্থতার জন্য দোয়া করে।

তবে আশার খবরও আসে দ্রুত। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণের পর পরদিন দুপুরে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন মির্জা ফখরুল। বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তার অবস্থা তখন স্থিতিশীল এবং চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি বাসায় বিশ্রামে থাকবেন।

ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দেয়—রাজনীতির ব্যস্ততার মাঝেও মানুষের শারীরিক সুস্থতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। একজন রাজনৈতিক নেতাকে ঘিরে মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু অসুস্থতার সময়ে তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করাই মানবিকতার পরিচয়।

আপনার কী মনে হয়—রাজনৈতিক মতের পার্থক্য থাকলেও অসুস্থতার সময়ে সবারই কি মানবিক হয়ে পাশে থাকা উচিত? মতামত কমেন্টে জানান।

Author: Barta Ghor

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *