বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গত ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।
এরপর মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় এবং তিনি নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তার প্রথম বক্তব্য ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে তিনি কী অবস্থান নেবেন, তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে।
তবে শেখ হাসিনাকে নিয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের কোনো নির্দিষ্ট ‘প্রথম ঘোষণা’ দিয়েছেন—এমন তথ্যের নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অসম্পূর্ণ ভিডিও, পোস্ট বা চটকদার শিরোনামের ভিত্তিতে কোনো বক্তব্যকে তার নামে প্রচার করা ঠিক হবে না।
মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৯৯১ সালের পর এবারই প্রথম সংসদীয় ব্যবস্থায় একাধিক প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার সামনে এখন সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় বিষয়ে নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা রয়েছে। এরই মধ্যে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানিও নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
তাই ‘রাষ্ট্রপতি ফখরুল প্রথম ঘোষণা—শেখ হাসিনাকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত’ ধরনের কোনো দাবি প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট বক্তব্যের পূর্ণ ভিডিও বা সরকারি সূত্র যাচাই করা জরুরি। বর্তমানে নিশ্চিত তথ্য হলো—মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন এবং নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।