স্বামীর ক’ষ্টে উপা’র্জিত ২০ লক্ষ টাকা নিয়ে ঘর ছেড়েছিল মেয়েটি। কি’ন্তু বয়ফ্রেন্ড….See more

স্বামীর কষ্টে উপার্জিত ২০ লাখ টাকা নিয়ে ঘর ছেড়েছিলেন, কিন্তু প্রেমিকের কাছে গিয়ে ঘটল ভিন্ন ঘটনা
প্রবাসে থাকা স্বামীর কষ্টার্জিত প্রায় ২০ লাখ টাকা নিয়ে এক নারী ঘর ছেড়ে কথিত প্রেমিকের কাছে চলে গিয়েছিলেন—এমন একটি ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে। অনলাইনে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ওই নারী স্বামীর পাঠানো অর্থ ও কিছু স্বর্ণালংকার নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। পরে কথিত প্রেমিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকায় আসার পর কিছুদিন ওই নারী কথিত প্রেমিকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। একপর্যায়ে প্রেমিক খাবার কেনার কথা বলে তার কাছ থেকে টাকাভর্তি একটি ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে যান। এরপর তিনি আর ফিরে আসেননি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায় বলে ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে স্বামীর সংসার ছেড়ে নতুন জীবনের আশায় বেরিয়ে এসে শেষ পর্যন্ত কথিত প্রেমিকের কাছেই প্রতারণার শিকার হওয়ার অভিযোগটি জানাজানি হলে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

অনেকে বলছেন, কোনো সম্পর্কের বিষয়ে আবেগের বশে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এর সম্ভাব্য পরিণতি সম্পর্কে চিন্তা করা জরুরি। বিশেষ করে পরিবারের অর্থ বা অন্যের কষ্টার্জিত সম্পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

তবে পুরো ঘটনাটি নিয়ে যে তথ্যগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্রতিবেদনে ছড়িয়েছে, সেগুলোর স্বাধীনভাবে পূর্ণ সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। সংশ্লিষ্ট নারী, তার স্বামী বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার প্রকৃত চিত্র আরও পরিষ্কার হবে।

ঘটনাটি সত্য হলে এখানে শুধু পারিবারিক সম্পর্কের বিষয় নয়, অর্থ ও কথিত প্রতারণার অভিযোগও জড়িত থাকতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে আবেগপ্রবণ মন্তব্য না করে প্রয়োজন হলে আইনগতভাবে অভিযোগ করা এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করা গুরুত্বপূর্ণ।

নোট: প্রকাশের সময় ‘অভিযোগ’, ‘দাবি’ ও ‘প্রতিবেদন অনুযায়ী’—এই শব্দগুলো রাখা ভালো, কারণ পাওয়া তথ্যের মূল উৎস অনলাইন প্রতিবেদন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম; স্বাধীনভাবে ঘটনাটি নিশ্চিত করা যায়নি।

Author: Barta Ghor

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *