তনি বিয়ের এক বছর পরে মিডিয়ায় এসে জানায় তার তৃতীয় স্বা’মী তার ছেলে মে’য়েকে…See More

আলোচিত নারী উদ্যোক্তা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর রোবাইয়াত ফাতিমা তনিকে ঘিরে আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি নতুন দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল হওয়া শিরোনামে বলা হচ্ছে, তৃতীয় বিয়ের প্রায় এক বছর পর তনি গণমাধ্যমের সামনে এসে তার স্বামীকে নিয়ে এমন একটি বক্তব্য দিয়েছেন, যেখানে নিজের ছেলে-মেয়েকে ঘিরে পারিবারিক জীবনের কোনো বিষয় তুলে ধরেছেন।

তবে ভাইরাল শিরোনামটি সম্পূর্ণ নয়। সেখানে ‘তার তৃতীয় স্বামী তার ছেলে-মেয়েকে…’ বলার পর মূল বক্তব্যটি কী ছিল, সেটি স্পষ্ট করা হয়নি। ফলে তনি ঠিক কী বলেছেন বা তার বক্তব্যের প্রেক্ষাপট কী—তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

তনির ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এর আগেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে তার দ্বিতীয় স্বামী শাহাদাৎ হোসাইনের মৃত্যুর পর তার পরবর্তী জীবন ও সম্পর্ক নিয়ে নানা ধরনের পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে তনির তৃতীয় বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে তৃতীয় স্বামী হিসেবে মো. সিদ্দিকের নাম উল্লেখ করা হয়।

এরপর তনির নতুন সংসার, সন্তান এবং পারিবারিক সম্পর্ক নিয়েও বিভিন্ন ধরনের আলোচনা শুরু হয়। এর মধ্যে কিছু বিষয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সব দাবি যে নির্ভরযোগ্য—তা নয়।

বিশেষ করে ২০২৫ সালের নভেম্বরে তনির সাবেক স্বামী সদরুল ইসলাম সোয়েব তাদের সন্তানকে ঘিরে অভিযোগ তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, তনি তাদের সন্তানকে আটকে রেখে বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা করছেন। এর জবাবে তনি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বলেন, সন্তান তার কাছেই বড় হচ্ছে এবং তাকে আটকে রাখার অভিযোগ সঠিক নয়।

পরে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে এ সংক্রান্ত একটি মামলাও খারিজ হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, সন্তান মায়ের সঙ্গেই থাকবে।

এখন নতুন করে যে শিরোনামটি ছড়িয়েছে, সেটি যদি তনির কোনো সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকার বা বক্তব্য থেকে নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে পুরো বক্তব্য জানা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ‘তৃতীয় স্বামী তার ছেলে-মেয়েকে…’—এই কথাটির পরের অংশ না থাকায় তিনি আসলে কী বোঝাতে চেয়েছেন, তা বোঝা সম্ভব নয়।

একজন ব্যক্তির সন্তান ও পারিবারিক সম্পর্কের মতো ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কোনো তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সরাসরি বক্তব্যকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি অসম্পূর্ণ পোস্ট বা ভিডিওর ওপর ভিত্তি করে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো বিভ্রান্তিকর হতে পারে।

এদিকে তনিকে নিয়ে এর আগেও বেশ কিছু ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ছড়ানোর নজির রয়েছে। এমনকি তার দ্বিতীয় স্বামীর কথিত ‘শেষ ভিডিও’ হিসেবেও একটি ডিপফেক ভিডিও ছড়িয়েছিল, যা পরে রিউমর স্ক্যানারের অনুসন্ধানে ভুয়া বলে শনাক্ত হয়।

তাই বর্তমানে ‘বিয়ের এক বছর পরে তনি মিডিয়ায় এসে তৃতীয় স্বামী ও ছেলে-মেয়েকে নিয়ে বিশেষ কিছু জানিয়েছেন’—এমন দাবি ছড়িয়ে পড়লেও, শিরোনামের অসম্পূর্ণ অংশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সেটিকে ভাইরাল দাবি হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

তনির পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য, সাক্ষাৎকারের ভিডিও কিংবা নির্ভরযোগ্য সংবাদসূত্র সামনে এলে

Author: Barta Ghor

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *