সাতক্ষীরার এমপি নজরুলের ২য় স্ত্রীর পাশের বাড়ির মহিলা জানাই মরিয়ম বিভিন্ন ছে…See More

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে একের পর এক তথ্য সামনে আসছে। ১৯ বছর বয়সী মরিয়মের মৃত্যুর পর তাঁর পারিবারিক জীবন, সংসারের পরিবেশ এবং মৃত্যুর আগে তাঁর সঙ্গে কী ঘটেছিল—এসব বিষয় নিয়ে চলছে আলোচনা ও তদন্ত।

মরিয়মের মৃত্যুর পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তাঁর স্বজন ও পরিচিতজনদের বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে। তাঁদের কয়েকজনের দাবি, বিয়ের পর থেকেই মরিয়ম বিভিন্ন সময় পারিবারিক সমস্যার কথা পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছিলেন। মামলার এজাহারেও মরিয়মকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে মরিয়মের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, বিয়ের পর তিনি ঢাকার ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাটে থাকতেন। সেখানে তাঁর স্বামী গাজী নজরুলের পাশাপাশি প্রথম স্ত্রী মাকছুদাও থাকতেন। পরিবারের দাবি, বিভিন্ন সময় মরিয়ম ফোনে তাঁদের কাছে নিজের কষ্ট ও পারিবারিক সমস্যার কথা বলতেন।

এদিকে ঘটনাস্থল সম্পর্কে নিজেকে প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করা মঞ্জুর সরদারও সেদিনের পরিস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলেছেন। তাঁর বক্তব্যে ফ্ল্যাটে পুলিশের উপস্থিতি, মরিয়মের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা এবং ঘটনাস্থলের পরিস্থিতির কিছু বিবরণ উঠে এসেছে। তবে প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্যের পাশাপাশি পুলিশি তদন্তের তথ্যও যাচাই করা হচ্ছে।

মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেছেন। মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ গাজী নজরুল ও মাকছুদাকে গ্রেপ্তার করেছে; ওবায়দুরকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

মরিয়মের মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর নামে কথিত কিছু চিরকুটও ছড়িয়ে পড়েছে। তবে মরিয়মের স্বজনেরা সেসব লেখার হাতের লেখা নিশ্চিত করতে পারেননি। ফলে চিরকুটগুলোর সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে এবং এগুলোকে তদন্তের অংশ হিসেবে যাচাই করা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, আদালতে পুলিশ জানিয়েছে, মরিয়মের মৃত্যুর সময় গাজী নজরুল ও তাঁর প্রথম স্ত্রী একই বাসায় ছিলেন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে মৃত্যুর আগে কী ঘটেছিল এবং তাঁদের কোনো ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে।

ফলে প্রতিবেশী, স্বজন কিংবা প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যে যেসব অভিযোগ বা তথ্য সামনে আসছে, সেগুলোকে তদন্তের তথ্য থেকে আলাদা করে দেখা জরুরি। মরিয়মের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং কারও বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য কি না—তা শেষ পর্যন্ত তদন্ত, প্রমাণ ও আদালতের সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।

মরিয়মের পরিবারের দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য সামনে আনা হোক। অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও মামলার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। তদন্ত যত এগোবে, মরিয়মের মৃত্যুর আগে তাঁর জীবনে আসলে কী ঘটেছিল—সে বিষয়ে আরও পরিষ্কার তথ্য সাম

Author: Barta Ghor

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *