২ মাসের বা/’চ্চার বাবার পরিচয় শ/’নাক্ত করতে থা’/নায় এসে জানায় তারই আ/পন…See more

দুই মাসের শিশুর বাবার পরিচয় নিয়ে রহস্য, থানায় এসে এক ব্যক্তির দাবি—চাঞ্চল্য এলাকায়
দুই মাস বয়সী একটি শিশুর বাবার পরিচয় নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। শিশুটির জন্মের পর থেকেই তার পিতৃত্ব নিয়ে পরিবারের মধ্যে নানা আলোচনা চলছিল বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। একপর্যায়ে বিষয়টি থানায় গড়ায় এবং সেখানে এক ব্যক্তি এসে শিশুটির বাবার পরিচয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়ার দাবি করেন।

তবে ঘটনাটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ওই ব্যক্তির দাবি বা বক্তব্যের ভিত্তিতে শিশুটির পিতৃত্ব নিশ্চিত হয়েছে, এমন কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম, ঠিকানা কিংবা ঘটনার সুনির্দিষ্ট স্থানও বিশ্বাসযোগ্য সংবাদসূত্রে প্রকাশিত হয়নি।

প্রকাশিত ভাইরাল প্রতিবেদনের বর্ণনা অনুযায়ী, শিশুটির জন্মের পর থেকেই তার বাবার পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়। বিষয়টি নিয়ে পরিবারের মধ্যেও বিভ্রান্তি ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। পরে একজন ব্যক্তি থানায় গিয়ে নিজের বক্তব্য দেন এবং শিশুটির পিতৃত্ব সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার দাবি করেন।

এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত সংবেদনশীল। বিশেষ করে একটি শিশুর পিতৃত্ব নিয়ে কোনো অভিযোগ বা দাবি উঠলে শুধুমাত্র কারও বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। বিষয়টি সত্যিই বিরোধে পরিণত হলে আইনগত তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মাধ্যমে তথ্য যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞ পর্যায়ে পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষাকে একটি নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে কোনো নির্দিষ্ট ঘটনায় পরীক্ষা হয়েছে কি না, পুলিশ কী ব্যবস্থা নিয়েছে বা আদালতে কোনো প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে কি না—এসব বিষয়ে এই ঘটনার ক্ষেত্রে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকে নিজেদের মতো করে শিশুটির বাবার পরিচয় নিয়ে মন্তব্য করছেন। কেউ কেউ আবার অসম্পূর্ণ তথ্যের সঙ্গে নতুন নতুন দাবি যুক্ত করছেন। এ ধরনের আচরণ সংশ্লিষ্ট পরিবার ও শিশুটির জন্য ভবিষ্যতে সামাজিক ও মানসিক সমস্যার কারণ হতে পারে।

একটি শিশুর জন্মের সঙ্গে তার কোনো দায় বা অপরাধ জড়িত থাকে না। তার পরিচয় নিয়ে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে কোনো বিরোধ থাকলেও শিশুটির নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ভবিষ্যৎ সবার আগে বিবেচনা করা উচিত।

একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নারী বা সম্ভাব্য বাবাদের ব্যক্তিগত তথ্যও যাচাই ছাড়া প্রকাশ করা উচিত নয়। কারণ পিতৃত্বের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়লে নিরপরাধ ব্যক্তির স

Author: Barta Ghor

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *