এক সন্তান থাকার পরেও নিজেকে অবিবাহিত কু*মা*রী পরিচয় দিয়ে বিয়ে করেন এক প্রবাসীকে। মোবাইলের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছর পর একা একাই নতুন স্বামীর বাড়িতে এসেছেন বৃষ্টি আক্তার।
এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়: আজ থেকে আরো অনেক বছর আগে নিজের প্রাইভেট টিচারকে বিয়ে করেছিলেন বৃষ্টি আক্তার। সেখানে তার একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
সেই সন্তানকে ছেড়ে স্বামীর টাকা পয়সা নিয়ে এক প্রবাসীকে মোবাইলের মাধ্যমে বিয়ে করেন। তারপর প্রথম স্বামীকে ডি-ভোর্স দেন বৃষ্টি আক্তার। বিয়ের পর থেকে নিজের বাবার বাড়িতেই থাকতেন তিনি।
দ্বিতীয় স্বামীর ঘরেও আগের স্ত্রী সন্তান ছিল। একদিন দ্বিতীয় স্বামীর প্রথম স্ত্রী বাবার বাড়ি বেড়াতে গেলে এই সুযোগে বৃষ্টি আক্তার নতুন স্বামীর বাড়িতে গিয়ে উঠেন।
তার প্রথম বিয়ের কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি নিজেকে অবিবাহিত ও কুমারী বলে দাবি করেন এবং তার সন্তান থাকার কথাও অস্বীকার করেন।