ছে’লেকে মু’/ক্ত করার আশায় ১ লা’/খ ২০ হা’জার টা’/কা পাঠিয়েও শেষ… More

ছেলেকে মুক্ত করার আশায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পাঠিয়েও শেষ পর্যন্ত কী পেলেন নজরুলের মা? 😢

নজরুলের মায়ের ভাষ্য অনুযায়ী, একদিন তাঁর ছেলে ফোন করে বলেছিল—

“মা, আমাকে ছাড়াতে হলে এখানকার একজন উকিল ধরতে হবে, আপিল করতে হবে।”

ছেলেকে মুক্ত করার আশায় বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা করেন তিনি। তাঁর দাবি, ছেলে সৌদি আরবে জেলে থাকার সময় কিছুদিন পরপরই টাকা পাঠিয়েছিলেন।

কিন্তু পরে সেই উকিলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে নাকি তাঁকে আর ফোন না দিতে বলা হয়।

এখন প্রশ্ন হলো, ছেলেকে মুক্ত করার আশায় পাঠানো সেই টাকা কি সঠিক ব্যক্তির হাতে পৌঁছেছিল? নাকি কোনো মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে প্রতারিত হয়েছিলেন তাঁরা? বিষয়টি নির্ভরযোগ্যভাবে যাচাই করা জরুরি।

নজরুলের মায়ের কথায় ফুটে উঠেছে এক অসহায় মায়ের বুকভাঙা কষ্ট।

তিনি জানান, ছেলেকে বিদেশে পাঠাতেই তাঁদের অনেক ঋণ করতে হয়েছিল। এরপর ছেলেকে মুক্ত করার আশায় টাকা পাঠিয়েও কোনো সমাধান না পাওয়ায় তাঁরা আরও ভেঙে পড়েন। আবার টাকা পাঠিয়ে প্রতারিত হওয়ার ভয়ও তাঁদের মনে বাসা বাঁধে।

একজন মা তাঁর সন্তানকে বাঁচানোর আশায় কতটা অসহায় হয়ে পড়তে পারেন, এই কথাগুলো যেন তারই প্রতিচ্ছবি। 💔

এই ঘটনা নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ, পুরো বিষয়টি যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা হোক। প্রবাসীদের বিপদে তাঁদের পরিবার যেন সঠিক তথ্য, আইনি সহায়তা ও নির্ভরযোগ্য দিকনির্দেশনা পায়।

মানুষ ভুল করতে পারে, কিন্তু প্রতিটি ঘটনার সত্যতা জানা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।

আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহম করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ধারণের শক্তি দিন। আমিন। 🤲

শিক্ষামূলক বার্তা: বিদেশে আইনি সহায়তার নামে কাউকে টাকা পাঠানোর আগে আইনজীবীর পরিচয়, নিয়োগ ও অর্থ লেনদেনের বৈধতা যাচাই করুন। সরকারি বা দূতাবাসের নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে পরামর্শ নিন।

দাবিত্যাগ: এখানে উল্লেখিত অর্থ পাঠানো ও আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়গুলো পরিবারের বক্তব্যের ভিত্তিতে বর্ণিত। স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য ছাড়া কাউকে প্রতারক হিসেবে অভিযুক্ত করা হচ্ছে না।

Author: Barta Ghor

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *