সরকারি ফ্ল্যাটে দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের মৃ/ত্/যু/র ঘটনায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।
সেখানে নিজের ১৯ বছর বয়সী স্ত্রীর মৃ/ত্/যু/র কারণ সম্পর্কে এমপি গাজী নজরুল বলেছেন, মরিয়ম খুব আবেগী ছিল। পারিবারিক বিভিন্ন ঝামেলার কারণে অভিমান করে আ/ত্/ম/হ/ত্/যা করেছে সে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এমপি গাজী নজরুলকে আবারও রিমান্ড নেওয়ার আবেদন জানিয়ে আদালতে এ তথ্য উল্লেখ করেছে পুলিশ।
আবেদনে বলা হয়েছে, এটি একটি চাঞ্চল্যকর মামলা। মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য আসামিকে আরও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
এদিন দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের মৃ/ত্/যু/র ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় করা আ/ত্/ম/হ/ত্/যা/র প্ররোচনা মামলায় গাজী নজরুলকে আবারও ৭ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এ আবেদন করেছেন। শুনানি শেষে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেনের আদালত।
এর আগে, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে ৫ নম্বর ন্যাম ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় মরিয়ম খাতুনের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরে বাংলা নগর থানায় একটি আ/ত্/ম/হ/ত্/যায় প্ররোচনার মামলা দায়ের করেন। এতে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম এবং বাদীর শ্যালক ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়।
এই মামলায় গ্রেপ্তারের পর গত ২১ সেপ্টেম্বর মাকসুদার এক দিন ও গাজী নজরুলের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। রিমান্ড শেষে গত ২২ সেপ্টেম্বর মাকসুদাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই মামলায় গ্রেপ্তারের পর ২৩ সেপ্টেম্বর মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকেও কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে বলা হয়, গত জুনে গাজী নজরুলের সঙ্গে বিয়ে হয় মরিয়মের। এরপর থেকে স্বামীর সঙ্গে ৫ নং ন্যাম ভবনের ৩য় তলায় বসবাস করতেন তিনি। গত ২০ সেপ্টেম্বর বিকালে গাজী নজরুল ভিক্টিমের বাবাকে মোবাইল ফোনে দ্রুত তার বাসায় যেতে বলেন। ওই বাসায় গিয়ে তিনি দেখেন মরিয়ম গলায় ওড়না প্যাচানো অবস্থায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে রয়েছেন। আসামিদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে এবং তাদের প্ররোচনায় আ/ত্/ম/হ/ত্/যা করেছেন তিনি।