গার্মেন্টস শ্রমিকের বাঁচার মতো বেতন চাই, পাশাপাশি মালিকের কারখানাও যেন বেঁচে থাকে!
দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে শ্রমিকদের ন্যায্য বেতন এবং কারখানার টিকে থাকার বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। গার্মেন্টস শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় দিন দিন বাড়ছে। চাল, ডাল, তেল, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও সন্তানদের পড়াশোনার খরচ মেটাতে অনেক শ্রমিককে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের জন্য সম্মানজনক ও জীবনধারণের উপযোগী বেতনের দাবি ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
এদিকে কারখানার মালিকদের পক্ষ থেকেও উৎপাদন খরচ, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতা, বিদ্যুৎ-গ্যাসের মূল্য এবং রপ্তানি আদেশের মতো বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরা হচ্ছে। তাঁদের বক্তব্য, শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর পাশাপাশি কারখানাগুলোর আর্থিক সক্ষমতা ও ব্যবসা টিকিয়ে রাখার বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে।
এই প্রসঙ্গে একটি বক্তব্য সামনে এসেছে—গার্মেন্টস শ্রমিকদের এমন বেতন দিতে হবে, যাতে তাঁরা পরিবার নিয়ে সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকতে পারেন। একই সঙ্গে মালিকদের কারখানাও যেন আর্থিক সংকটে বন্ধ হয়ে না যায়। কারণ, কারখানা বন্ধ হয়ে গেলে শুধু মালিক নয়, সেখানে কর্মরত হাজার হাজার শ্রমিকও কর্মসংস্থান হারানোর ঝুঁকিতে পড়বেন।
তবে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা কোনোভাবেই উপেক্ষা করার বিষয় নয়। একজন শ্রমিক সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করে যে পোশাক তৈরি করেন, সেই শিল্পের সাফল্যে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাঁদের জীবনযাত্রার বাস্তব ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতন নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
অন্যদিকে মালিকপক্ষেরও দায়িত্ব হলো শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা সময়মতো পরিশোধ করা, কর্মপরিবেশ নিরাপদ রাখা এবং শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা। শিল্পের উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন শ্রমিক ও মালিক উভয় পক্ষের স্বার্থ রক্ষা করা হবে।
শ্রমিক-মালিক উভয়ের স্বার্থ রক্ষা জরুরি
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাকশিল্পের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই শিল্পের সঙ্গে লাখ লাখ শ্রমিকের জীবিকা জড়িত। তাই বেতন নিয়ে শ্রমিকদের অসন্তোষ এবং কারখানা পরিচালনার ক্ষেত্রে মালিকদের সমস্যাগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা জরুরি।
শ্রমিকদের এমন বেতন দিতে হবে, যাতে তাঁরা পরিবারের খাব