তবে কি আবারো বাঙালির আবেগ নিয়ে খেলা হলো?
নওরিন আহমেদ নামে সাগরের এক প্রতিবেশীর দাবি, সাগরের অটোরিকশাটি নিজের, তাঁর বাবারও নাকি একাধিক রিকশা রয়েছে। তাঁদের পরিবার ফ্লাট বাসায় ভাড়া থাকে,সাগর তার ভাঙ্গা গ্যারেজের ভেতরে ইন্টারভিউ দিয়েছিল এবং সাগরের মায়ের বাড়িতে কাজ করার বিষয়টিও সত্য নয় বলে তিনি দাবি করেছেন।
তবে এসব দাবির সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তাই শুধু একজনের বক্তব্য শুনে সাগরকে মিথ্যাবাদী বলা যেমন ঠিক নয়, তেমনি সবকিছু যাচাই না করে আবেগের বশে আর্থিক সহায়তা করাও উচিত নয়।
আমরা কেউ চাই না, একজন অসহায় মানুষের প্রতি সহানুভূতি দেখাতে গিয়ে প্রতারিত হই। আবার সত্যতা যাচাই না করেই একজন মানুষের সম্মানহানিও হোক, সেটাও কাম্য নয়।
সাগরের এলাকার কেউ যদি তাঁকে ভালোভাবে চিনে থাকেন এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য জানেন, তাহলে প্রমাণসহ মতামত জানাতে পারেন।
আবেগ থাকুক, মানবিকতা থাকুক—কিন্তু সত্য যাচাই করার মানসিকতাও থাকুক। 